1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

জার্মানিতে ছুরি হামলাকারী সিরীয় তরুণের বিচার শুরু

২৪ অক্টোবর ২০২৩

আদালতে প্রবেশের পর হাত নেড়ে আইএস-এর সদস্যদের মতো ইঙ্গিত করতে দেখা যায় তাকে৷ হামলার শিকারদের পরিবারের সদস্যরা অবাক হয়ে দেখেন বিচারক প্রবেশ করেছেন, কিন্তু অভিযুক্ত তার প্রতি সম্মান জানাননি৷

https://p.dw.com/p/4Xy7j
ডুইসবুর্গের আদালতে পুলিশ প্রহরায় অভিযুক্ত সিরীয় তরুণ
ডুইসবুর্গের আদালতে পুলিশ প্রহরায় অভিযুক্ত সিরীয় তরুণছবি: Christoph Reichwein/dpa/picture alliance

বাদি পক্ষের আইনজীবীরা মনে করেন হত্যা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত এই ব্যক্তির সার্বিক আচরণ জার্মানির উদার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য হুমকিস্বরূপ৷

নয় দিনের মধ্যে দুটো ভয়ঙ্কর হামলার ছয় মাস পর সোমবার ডুইসবুর্গ শহরের আদালতে শুরু হয় ২৭ বছর বয়সি সিরীয় তরুণের বিচারকাজের শুনানি৷ গত ৯ এপ্রিল এ শহরেই এক পথচারির তলপেট, মাথা ও ঘাড়ে কমপক্ষে ২৮ বার ছুরি চালানো হয়৷ হামলায় গুরুতর আহত ৩৭ বছর বয়সি ওই ব্যক্তি পরে হাসপাতালে মারা যান৷

ঘটনার পর হামলাকারী গা-ঢাকা দেন৷ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী চেষ্টা করেও তখন হামলাকারীকে খুঁজে বের করতে পারেনি৷

নয়দিন পর জার্মানির পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য নর্থ রাইন ওয়েস্টফা্লিয়ার ডুইসবুর্গ শহরেরই এক জিমে আবার ছুরি নিয়ে হামলা চালানো হয়৷ হামলাকারী প্রথমে শাওয়ারের নীচে স্নানরত তিন ব্যক্তির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে৷ তাকে থামাতে এক ব্যক্তি এগিয়ে এলে তার উরুতে কয়েকবার ছুরি চালিয়ে হামলাকারী পালিয়ে যায়৷সেই হামলার পর ঘটনাস্থলে জুতার ছাপ ও সিরীয় ব্যক্তির ডিএনএ পরীক্ষা করে তাকে চিহ্নিত করে পুলিশ৷২৪ এপ্রিল আটক করা হয় তাকে৷

২০১৬ সালে জার্মানিতে এসে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করে সিরীয় এ তরুণ৷একসময় তাকে রেসিডেন্স পারমিট দেয়া হয়৷ সোমবার ডুইসবুর্গের আদালতে হত্যা ও হত্যাচেষ্টা অভিযোগের মামলার শুনানিতে অংশ নিতে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে প্রবেশ করেই বিশেষ কায়দায় হাত তুলে আইএস-এর প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেন৷ বিচারক আদালতকক্ষে প্রবেশ করলে অন্য সবাই রীতি মেনে উঠে দাঁড়ালেও অভিযুক্ত ব্যক্তি দাঁড়াতে রাজি হননি৷ বাদিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি মনে করেন জার্মানিতে যারা শরিয়া আইন মানে না তারা সবাই ‘অবিশ্বাসী' এবং তাদের মৃত্যুই প্রাপ্য৷

এসিবি/ কেএম (এএফপি, ডিপিএ, ইপিডি)